Assignment Question And Solution

ফল ও সবজি সংরক্ষণের সাধারণ পদ্ধতি বিশ্লেষণ | এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) এসাইনমেন্ট ২০২৬ উত্তর /সমাধান ৩য় সপ্তাহের ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিজারভেশন-২ (এসাইনমেন্ট ১) | ২০২৬ সালের এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) ৩য় সপ্তাহের ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিজারভেশন-২ এসাইনমেন্ট সমাধান ( ২য় পত্র)

    ২০২৬ সালের এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) ৩য় সপ্তাহের ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিজারভেশন-২ এসাইনমেন্ট সমাধান ( ২য় পত্র)

    ফল ও সবজি সংরক্ষণের সাধারণ পদ্ধতি বিশ্লেষণ

    সমাধানঃ 
    ১। ফল সংরক্ষণের কারণঃ 
    ফল ও সবজি স্বাস্থ্য ও পুষ্টির জন্য অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য । স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ ফল ও সবজি হতে মানুষের শরীরে আসে এবং রােগের আক্রমণ হতে রক্ষা করে বলে এদেরকে প্রতিরক্ষাকারী খাদ্য ( Protective Foods ) বলা হয় । সারা বছর ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ পেতে ফল ও সবজি সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি । অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের মতাে ফল ও সবজি সাধারণ অবস্থায় রেখে দিলে বেশিদিন ভালাে থাকে না । বাইরে থেকে মােন্ড , ইস্ট ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদির আক্রমণে এবং ভেতর থেকে এনজাইমের ক্রিয়া এবং রাসায়নিক বিক্রিয়ার কারণে ফল ও সবজি নষ্ট হয়ে যায় । মােন্ড বা ছাত্রাক এবং ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধির জন্য আলাে , বাতাস , পানি , পুষ্টি উপাদান এবং উপযুক্ত তাপমাত্রার প্রয়ােজন । এই প্রয়ােজনগুলাের এক বা একাধিক একসাথে নিয়ন্ত্রণ করে জীবাণু ধ্বংস ও এনজাইমের ক্রিয়া রােধ করা সম্ভব । বাস্তবেও এসবের পরিপ্রেক্ষিতে ফল ও সবজি সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে । ফল ও সবজি পানি দিয়ে ভালাে করে ধুয়ে পরিষ্কার করলে তা থেকে বহুল পরিমাণে অদ্রব্য এবং জীবাণু অপসারিত হয় এবং কিছু সময়ের জন্য এগুলাে ভালাে থাকে । গুণগতমান অটুট রেখে দীর্ঘদিন ফল ও সবজি সংরক্ষণের জন্য আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় ।
    ২। ফল সংরক্ষণের বিভিন্ন পদ্ধতিঃ 
    ১. কোল্ড স্টোরেজ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ 
    ২. ফ্রিজিং তাপমাত্রায় সংরক্ষণ 
    ৩. ক্যানিং বা উচ্চ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ 
    ৪. শুদ্ধকরণ 
    ৫. চিনি দিয়ে সংরক্ষণ 
    ৬. লবণ দিয়ে সংরক্ষণ 
    ৭. রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে সংরক্ষণ 
    ৮. ইরেডিয়েশন ( irradiation ) বা গামা রশ্মির মাধ্যমে সংরক্ষণ ।
    ৩। লবণ দ্বারা ফল ও সবজি সংরক্ষণের পদ্ধতিঃ

    ফল প্রস্তুতকরণ 
    লবণ মিশ্রণ সংরক্ষণ ফল প্রস্তুতকরণ টাটকা এবং পরিপুষ্ট আম ভালাে করে ধুয়ে পরিষ্কার করার পর খােসাসহ বা খােসা ছাড়িয়ে ছােট ছােট টুকরা করে নিতে হবে এবং আমের আঁটি ফেলে দিতে হবে ।
    লবণ মিশ্রণ ও সংরক্ষণ 
    একটি পরিষ্কার প্লাস্টিকের বালতি বা ড্রাম নিয়ে তাতে প্রথমে পাতলা লবণের স্তর বিছিয়ে তার উপর এক স্তর আমের টুকরা দিয়ে তার উপর আবার এক স্তর লবণ দিতে হবে । এভাবে বালতি বা ড্রাম না ভরা পর্যন্ত স্তরে স্তরে লবণ ও আম সাজাতে হবে এবং সর্বশেষে লবণের স্তর দিয়ে ড্রামের মুখ বন্ধ করে দিতে হবে । দুদিন পর আম থেকে পানি বের হবে তখন তাতে আরও লবণ দিতে হবে । এভাবে লবণের পরিমাণ আমের ওজনের ২৭ % যােগ করা হলে ড্রামে রাখা আমের টুকরা যেন পানিতে ডুবে থাকে সে জন্য তার উপর একটি টুকরা দিয়ে চাপা দিতে হবে । ড্রামের ঢাকনা বন্ধ করে এভাবে ১০-১২ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায় । এই সংরক্ষিত আমের টুকরা দিয়ে বছরের যে কোনাে সময় আচার , চাটনি ইত্যাদি প্রস্তুত করা যায় । তবে বার বার পানি দিয়ে ধুয়ে অথবা বেশি পরিমাণ পানিতে অনেক্ষণ ধরে ডুবিয়ে রেখে আমের টুকরা থেকে লবণের পরিমাণ প্রয়ােজনমত কমিয়ে নিতে হয় । বার বার খেয়ে লবণের পরিমাণ পরীক্ষা করে নিতে হয় । এভাবে কাঁচা আম , কাঁঠাল ও বিভিন্ন রকম সবজি সংরক্ষণ করা হয় ।

    এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) এসাইনমেন্ট ২০২৬ উত্তর /সমাধান ৩য় সপ্তাহের ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিজারভেশন-২ (এসাইনমেন্ট ১)

    Tag: এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) এসাইনমেন্ট ২০২৬ উত্তর /সমাধান ৩য় সপ্তাহের ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিজারভেশন-২ (এসাইনমেন্ট ১),  ২০২৬ সালের এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) ৩য় সপ্তাহের ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিজারভেশন-২ এসাইনমেন্ট সমাধান ( ২য় পত্র), ফল ও সবজি সংরক্ষণের সাধারণ পদ্ধতি বিশ্লেষণ

    Related Articles

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    Back to top button