Assignment Question And Solution

নবম/৯ম শ্রেণির ৪র্থ সাপ্তাহের রসায়ন এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২৬ | Class 9 Chemistry 4th Week Assignment Answer 2021

 আসছালামু আলাইকুম প্রিয় নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকে আমি এই পোস্টে তোমাদের নবম শ্রেণীর ৪র্থ সাপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান শেয়ার করবো। আসা করি তোমাদের উপকারে আসবে। 

   
   

       

      

    নবম/৯ম শ্রেণির ৪র্থ সাপ্তাহের রসায়ন এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২৬

    Class 9 Chemistry 4th Week Assignment Answer 2021

    তারিখ : ৩০ মার্চ , ২০২৬ 

    বরাবর , প্রধান শিক্ষক 

    ‘ ক ‘ উচ্চ বিদ্যালয় 

    ঢাকা । 

    বিষয় : প্রত্যেক শিক্ষার্থীর রসায়ন পরীক্ষাগারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক সম্পর্কিত প্রতিবেদন । 

    সূত্র / স্মারক নং : ঢা.উ.বি.২০২৬-৩ 

    তারিখ : ২৮ মার্চ , ২০২৬ ।

    জনাব , বিনীত নিবেদন এই যে , আপনার আদেশ নং ঢা.উ.বি.২০২৬-৩ তারিখ : ২৮ মার্চ , ২০২৬ অনুসারে “ প্রত্যেক শিক্ষার্থীর রসায়ন পরীক্ষাগারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক ” শীর্ষক প্রতিবেদনটি নিম্নে পেশ করছি । 

    প্রত্যেক শিক্ষার্থীর রসায়ন পরীক্ষাগারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক যেখানে বিজ্ঞানের বিভিন্ন পরীক্ষা – নিরীক্ষা এবং গবেষণা করা হয় তাকে পরীক্ষাগার বা গবেষণাগার বলে ।

    তাই যেখানে রসায়নের পরীক্ষা – নিরীক্ষা বা গবেষণা করা হয় তাকে রসায়ন পরীক্ষাগার বা রসায়ন গবেষণাগার বলে । রসায়ন গবেষণাগারে থাকবে বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য । প্রায় প্রত্যেকটি রাসায়নিক দ্রব্য আমাদের জন্য অথবা পরিবেশের জন্য কম / বেশি ক্ষতিকর । কোনাে রাসায়নিক দ্রব্য বিস্ফোরক জাতীয় , কোনাে রাসায়নিক দ্রব্য দাহ্য ( সহজেই যাতে আগুন ধরে যায় ) , কোনােটি আমাদের শরীরের সরাসরি ক্ষতি করে আবার কোনােটি পরিবেশের ক্ষতি করে । 

    রসায়ন পরীক্ষাগারের যে যন্ত্রপাতি বা পাত্র ব্যবহার করা হয় তার বেশিরভাগই কাঁচের তৈরি । তাই এ রসায়ন পরীক্ষাগারে ঢােকা থেকে শুরু করে বের হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে । অসতর্ক হলেই যে কোন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে । যেমন- এসিড গায়ে পড়লে শরীরের ক্ষত সৃষ্টি হবে , পােশাকে পড়লে পােশাকটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে । এছাড়া রসায়ন গবেষণাগারে অগ্নিকাণ্ড বিস্ফোরণসহ নানা ধরনের ছােট বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে । তাই শরীরকে রক্ষা করতে হলে নিরাপদ পােশাক বা অ্যাপ্রােন পরতে হবে ।

    যে কোন রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের আগেই আমাদের জেনে নিতে হবে সে রাসায়নিক দ্রব্য টি কোন প্রকৃতির । আর সেটি বােঝানাের জন্য রাসায়নিক পদার্থের বােতল বা কৌটার লেভেলে এক ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় । এ সংক্রান্ত একটি সার্বজনীন নিয়ম চালুর বিষয়কে সামনে রেখে জাতিসংঘের উদ্যোগে পরিবেশ ও উন্নয়ন নামে একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় । এ সম্মেলনে বিভিন্ন পদার্থের ঝুঁকি এবং ঝুঁকির মাত্রা বুঝানাের জন্য সার্বজনীন সাংকেতিক চিহ্ন নির্ধারণ করা হয় ।

    নিচে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের ঝুঁকি , ঝুঁকির মাত্রা ও সাবধানতা সম্পর্কে লেখা হলাে 

    ১. দাহ্য পদার্থ : প্রাকৃতিক গ্যাস ( জ্বালানি ) দাহ্য পদার্থ । এসব পদার্থের দ্রুত আগুন ধরে যেতে পারে । তাই এদের আগুন বা তাপ থেকে সবসময় দূরে রাখতে হবে । 

    ২. বিষাক্ত পদার্থ : বেনজিন , ন্যাপথালিন পদার্থ বিষাক্ত প্রকৃতির । তাই শরীরে লাগলে বা শ্বাস – প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে শরীরের নানা ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে । এ ধরনের পদার্থ ব্যবহারের সময় অ্যাপ্রােন , হ্যান্ড গ্লাভস , সেফটি গগলস ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে ।

    ৩. স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ পদার্থ : এ পদার্থের উদাহরণ হলাে বেনজিন , টলুইন , জাইলিন । ইত্যাদি । এ ধরনের পদার্থ ত্বকে লাগলে বা শ্বাস – প্রশ্বাসের সাথে শরীরের ভেতরে গেলে শরীরের স্বল্পমেয়াদী বা দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতিসাধন করে । এগুলাে শরীরের মধ্যে গেলে ক্যানসারের মতাে কঠিন রােগ হতে পারে কিংবা শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতিসাধন করতে পারে । তাই এগুলােকে সতর্কভাবে রাখতে হবে এবং ব্যবহারের সময় অ্যাপ্রােন , হ্যান্ড গ্লাভস , সেফটি গগলস ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে ।

     ৪. পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর : ভারি ধাতু ( লেড , মার্কারি , আর্সেনিক ) পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর । অর্থাৎ এ ধরনের পদার্থগুলাে উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়ের জন্যই বিপজ্জনক ।

    তাই এগুলােকে ব্যবহারের সময় যথেষ্ট সতর্ক হওয়া প্রয়ােজন । আবার , ব্যবহারের পরে যেখানে – সেখানে না ফেলে তা একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে । এসব পদার্থকে যথাসম্ভব পুনরুদ্ধার করে আবার ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে । তাহলে এগুলাে সহজে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়তে পারবে না ।

     ৫. ক্ষত সৃষ্টিকারী : এ চিহ্নধারী পদার্থ শরীরে লাগলে শরীরে ক্ষত সৃষ্টি করে । শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে গ্রহণ করলে তা শরীরের ভেতরের অঙ্গেরও ক্ষতিসাধন করতে পারে । হাইড্রোক্লোরিক এসিড , সালফিউরিক এসিড , সােডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের গাঢ় দ্রবণ এ জাতীয় পদার্থের উদাহরণ ।

    তাই , রসায়ন পরীক্ষাগারে ব্যবহৃত অ্যাপ্রােনের হাতা হবে হাতের কবজি পর্যন্ত । আর লম্বায় হাটুর নীচ পর্যন্ত । এটি সাদা রঙের হয়ে থাকে । হাতকে সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয় হ্যান্ড গ্লাভস , চোখকে রক্ষা করার জন্য সেফটি গগলস ব্যবহার করা হয় । রসায়নাগারে অবস্থানের সময় প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নিজের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে সচেতন হতে হবে এবং যাবতীয় সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে ।

    প্রতিবেদনের বিষয় : 

    প্রতিবেদন লিখার সময় : 

    প্রতিবেদন তৈরির তারিখ : 

    প্রতিবেদনের স্থান : 

    প্রতিবেদকের নাম ও ঠিকানা : 

    প্রতিবেদকের স্বাক্ষর

    নবম/৯ম শ্রেণির রসায়ন এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২৬ 

    Tag:নবম/৯ম শ্রেণির ৪র্থ সাপ্তাহের রসায়ন এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২৬, Class 9 Chemistry 4th Week Assignment Answer 2021

    Related Articles

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    Back to top button